Pages

Monday, September 27, 2010

পরিবেশদূষণ রোধে কর আরোপের কথা ভাবা হচ্ছে

সমকাল :: পরিবেশদূষণ রোধে কর আরোপের কথা ভাবা হচ্ছে ::

Pros and cons of new Real Estate Act

The Daily Amadershomoy - September 27, 2010

53 Airlines owe 316 Cr Tk from Biman

The Daily Amadershomoy - September 27, 2010

Manpower export to Rumania Opened again

The Daily Amadershomoy - September 27, 2010

Bill received before receiving the ship

প্রথম আলো - জাহাজ বুঝে নেওয়ার আগে তড়িঘড়ি সব অর্থ পরিশোধ!

More time requested to submit income tax retrurn

Prothom Alo | Most popular bangla daily newspaper

First Income Tax Fair of the Country Held

Prothom Alo | Most popular bangla daily newspaper

Thursday, September 23, 2010

ঝুঁকির মুখে ২ লাখ বিও অ্যাকাউন্ট

পবন আহমদ
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ২ লাখ বিও অ্যাকাউন্ট ঝুঁকির মুখে। নবায়ন ফি বাড়ার নতুন নিয়ম না জানার কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক ধারণা করছে। ফলে ২৭ লাখ অ্যাকাউন্টধারী থাকলেও ৭০ ভাগ অ্যাকাউন্ট নবায়ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিও অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা-সিডিবিএল।
তাদের বক্তব্য, ওই নবায়নের সময়সীমা শেষ হয়ে এলেও তা পরিশোধ করতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। এছাড়া ২৭ লাখ বিও সেকেন্ডারি মার্কেটে না থাকায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ৩০শে সেপ্টেম্বর নবায়নের শেষ তারিখ হলেও মাত্র ৭০ ভাগ বিও নবায়ন হয়েছে। ব্রোকারেজ হাউজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অনেক বিনিয়োগকারী রয়েছেন যারা ঢাকার বাইরে থেকে শেয়ার ব্যবসা করছেন। তারা ঢাকায় কখন কি নিয়ম-কানুনের পরিবর্তন হচ্ছে তা জানেন না। তাছাড়া কিছু দিন আগে তারা বিও ফি পরিশোধ করেছেন। এ কারণে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন নতুন করে ফি পরিশোধ করার প্রয়োজন নেই। এদিকে বিও অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ২০০ টাকা সরকার বাড়ায়; এ বিষয়ে তারা জানতেন আগামী বছর থেকে তা কার্যকর হবে। কিন্তু হঠাৎ করে এসইসি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। ৩১শে জুলাই নবায়নের শেষ সময় হলেও ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নবায়ন ফি’র সময় বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে উল্লেখ করে নতুন নবায়ন ফি এরই মধ্যে পরিশোধ করার। এসইসি এবং সিডিবিএলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছুতেই আর নতুন করে অ্যাকাউন্ট নবায়নের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। তারা বলেন, বিনিয়োগকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আমরা দু’মাস সময়সীমা বাড়িয়েছি। এর পরও যদি তারা (অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা) সময়মতো বিও ফি পরিশোধ না করেন তা হলে আমাদের কিছু করার নেই। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, তারা এসইসি’র খেয়ালি সিদ্ধান্তের শিকার হচ্ছেন। তারা জানান, হঠাৎ করে বিও ফি বর্ধিত করার খবরটি অনেকেই জানেন না। ফলে তারা সময়মতো ফি পরিশোধ করতে পারবেন না। ব্রোকারেজ হাউজ ঘুরে জানা গেছে, এসইসি’র বেঁধে দেয়ায় সময়সীমার মধ্যে
বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী বিও পরিশোধ করতে ব্যর্থ হবে। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, কিছুদিন আগে বিও ফি পরিশোধ করায় অনেকেই আর খোঁজখবর নিচ্ছেন না। কারণ, আগামী এক বছরের জন্য অ্যাকাউন্ট নবায়ন হয়েছে বলে তারা নিশ্চিত রয়েছেন। আবার নতুন করে ফি বর্ধিত করা হয়েছে এ কথা অনেকেই জানেন না। সেজন্য অ্যাকাউন্ট বাতিল হওয়ার শঙ্কাও বেশি। তারা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সময় বৃদ্ধি না করলে কয়েক লাখ বিও বাতিল হবে। এদিকে বিও অ্যাকাউন্ট নবায়ন করার সময় বৃদ্ধি করা হবে কিনা এ ব্যাপারে জানার জন্য সিডিবিএলের পরিচালক শুভ্রকান্তি চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, সময়সীমা বাড়ানোর ব্যাপারে আমরা এখনও কোন চিন্তা ভাবনা করিনি। একই প্রতিষ্ঠানের অন্য একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ২৭ লাখ বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে এই স্বল্প সময়ের মধ্যে বর্ধিত ফি আদায় করা সত্যিই কষ্টকর। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চাইলে এ সময়সীমা বর্ধিত করা সম্ভব। বর্ধিত ফি না দিলে অ্যাকাউন্ট বাতিলের সংখ্যা কত হতে পারে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর সংখ্যা সঠিক করে বলা সম্ভব নয়। তবে সময় শেষ হতে চললেও বিও নবায়নের তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না সেই হিসাবে ধারণা করা যেতে পারে এর সংখ্যা গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ হবে। গতবার বিও ফি পরিশোধ না করায় বাদ পড়েছিল এক লাখ অ্যাকাউন্ট। কয়েকদিন আগে বার্ষিক ফি না দেয়ায় এক লাখ বিও বাতিল হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার বাতিলের সংখ্যা তিনগুণ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ বর্ধিত ফি’র কথা অনেকেই জানেন না। অপরদিকে এ ব্যাপারে কয়েকটি হাউজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, এই চার্জ আদায় করার জন্য যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে তা ২৭ লাখ বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে আদায় করা একটি অসম্ভব ব্যাপার। তারা বলেন বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী এই খবর জানেন না। তাদের জানানোর জন্য যদিও আমরা হাউজে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পাশাপাশি কেউ কেউ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছি। তারপরও বর্ধিত বিও ফি দিতে বিনিয়োগকারীরা আশানুরূপভাবে হাউজমুখী হচ্ছেন না। এর একটিই কারণ, বিও ফি যে বর্ধিত করা হয়েছে এ বিষয়টি তারা জানেন না। এ প্রসঙ্গে সিনথিয়া ব্রোকারেজ হাউজের কমপ্লায়েন্স অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত তিনদিনে আমাদের হাউজে বধির্ত ফি দিয়েছে এমন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩০০’র বেশি হবে না। এখনও সময় রয়েছে, আশা করছি বিনিয়োগকারীরা এই সময়ের মধ্যে চার্জ পরিশোধ করবেন। তিনি বলেন, অনেক বিনিয়োগকারী রয়েছেন যারা সেকেন্ডারি মার্কেটে ব্যবসা করেন না। অন্যদিকে এমন নিয়ম নেই যে বিনিয়োগকারীদের স্থায়ী ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেবো। এবার অ্যাকাউন্ট বাতিলের সংখ্যা কেমন হতে পারে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে ধীর গতিতে অ্যাকাউন্ট নবায়ন হচ্ছে এমন চলতে থাকলে গড়ে প্রতি হাউজ থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ অ্যাকাউন্ট বাতিল হবে। এদিকে নতুন বিও ফি বাড়ানোকে নেতিবাচক হিসাবে দেখছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তারা বলেন, বিছুদিন আগে আমরা যখন বিও ফি পরিশোধ করলাম তখন এই বর্ধিত ফি কেন আদায় করা হলো না? কর্তৃপক্ষ যখন খুশি তখন একটি নিয়ম চালু করে তাদের স্বার্থ হাসিল করে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কথা তারা কিছুই ভাবেন না!

Manob Jamin // 23.09.2010

পাঁচ কোটি টাকার ঋণ রেখে ভৈরবের ৪ চাল ব্যবসায়ী সপরিবারে উধাও

মো. মোস্তাফিজুর রহমান আমিন

প্রায় ৫ কোটি টাকা ঋণ রেখে পরিবার-পরিজন নিয়ে আচমকা উধাও হয়ে গেছেন ভৈরবের ৪ প্রতিষ্ঠিত চাল ব্যবসায়ী। তাদের পালিয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন পাওনাদার ব্যবসায়ীরা। এদের মধ্যে যাদের পাওনার অংক যত বেশি, সমস্যায় পড়েছেন তারা তত। এরই মধ্যে ২-৩ জন ব্যবসা বন্ধ করে ঘরবাড়ি বিক্রি করে দেনা শোধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন। উধাও হওয়া ওইসব ব্যবসায়ীর কাছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাওনা প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকারও ওপর। বাকি টাকা স্থানীয় বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক, কো-অপারেটিভ ব্যাংক, এনজিওর। এর মধ্যে ২ লাখ থেকে ২০ লাখ পর্যন্ত টাকা পাবেন এমন ব্যবসায়ী আছেন ১০-১৫ জন। ৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার দাবিদার আছেন ২০-২৫ জন।
গত এক মাসের ব্যবধানে কাউকে না জানিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে পালিয়ে যান তারা। তাদের নিজ বাড়ি ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গিয়ে কোনো হদিস না পেয়ে হতাশ পাওনাদাররা। এ ঘটনা স্থানীয় চাল বাজারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। উধাও হয়ে যাওয়া ওই ব্যবসায়ীরা হলেন ধ্রুব রাজ সাহা (প্রো. শুভ ট্রেডার্স), মো. আলমগীর হোসেন (প্রো. মেসার্স আলমগীর ট্রেডার্স), মো. মিজানুর রহমান (প্রো. বিসমিল্লাহ্ ট্রেডার্স) ও জুয়েল আহমেদ (প্রো. মেসার্স যোশেফ ট্রেডার্স)। চাল ব্যবসায়ী নেতাদের অভিমত, ক্ষুদ্র ঋণদাতা সংস্থা (কো-অপারেটিভ ব্যাংক) ও সুদখোর মহাজনদের উচ্চহারের ঋণ চাল ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে দেউলিয়া হয়ে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাচ্ছেন তারা। উচ্চসুদে ঋণপ্রদানকারী ওইসব অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান এবং সুদখোর মহাজনকে প্রতিহত করতে না পারলে ওই চারজনের মতো আরও অনেকেরই এমনিভাবে উধাও হওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী নেতারা। আর এতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাণিজ্য নগরী ভৈরবের চাল ব্যবসাসহ সব ব্যবসা-বাণিজ্য।
এদিকে ভৈরবের চালের আড়তদাররা জানান, এ অঞ্চলের চাল ব্যবসা প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে গত ১০ বছরে নতুন করে অনেক খুচরা বিক্রেতা ও প্রতিষ্ঠিত চালের আড়তদারের কর্মচারীরা রাতারাতি আড়ত খুলে ব্যবসায়ী বনে যান। ফলে চাল বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। প্রতিযোগিতায় টিকতে গিয়ে বাকিতে চাল বিক্রির প্রবণতা বৃদ্ধি পায় তাদের মধ্যে। এতে বৃদ্ধি পায় পুঁজির প্রয়োজনীয়তা। সেই সুযোগ গ্রহণ করে রাতারাতি গজিয়ে ওঠা ২০-২৫টি অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও এনজিও এবং সুদখোর মহাজনরা। এদের কাছ থেকে দৈনিক কিস্তি এবং শতকরা প্রায় ৪২ টাকা হারে ঋণ নিয়ে বিপাকে পড়েন ওইসব ব্যবসায়ী। একপর্যায়ে নিজের তহবিল নষ্ট হওয়ার পর বাজারের অন্যান্য চালের আড়তদারের কাছ থেকে বাকিতে চাল কিনে সেকেন্ড পার্টি হয়ে বিভিন্ন মোকামে বাকিতেই চাল বিক্রি শুরু করেন তারা। এভাবে একদিকে তাদের ঋণের পরিমাণ যেমন বাড়তে থাকে অন্যদিকে সুদের টাকা পরিশোধ করতে হয়ে পড়েন তারা দেউলিয়া।
ভৈরব খাদ্যশস্য বণিক সমিতির সভাপতি হাজী সিরাজ উদ্দিন জানান, উচ্চহারে সুদ দিতে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীরা দেউলিয়া হয়ে পালিয়েছেন। সুদ ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ না করা হলে ভৈরবের চাল ব্যবসাসহ সব ব্যবসায় ব্যাপক ক্ষতি হবে। তিনি অবিলম্বে ওইসব অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যথাযথ তদন্তসাপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
মাতৃভূমি কমার্স অ্যান্ড ফাইনান্স লিমিটেড ভৈরব শাখার পরিচালক পংকজ কুমার ওই পলাতক চাল ব্যবসায়ীদের দু’জনের কাছে তার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ লাখ টাকা পাওনা থাকার কথা স্বীকার করলেও, কো-অপারেটিভ ব্যাংকের সুদের কারণে ভৈরবের ব্যবসা নষ্ট হচ্ছে—এ কথা তিনি অস্বীকার করেন।

Amardesh:23 September 2010



VAT of Price marked commodity is illigal

The Daily Amadershomoy - September 23, 2010

Real Estate Bill Passed

প্রথম আলো - আইন লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান, রিয়েল এস্টেট বিল পাস

Solar Panel for only 4000 Tk

Prothom Alo | Most popular bangla daily newspaper

Friday, September 17, 2010

ভিক্ষুকের বিলাসী জীবন

আশপাশের কক্ষগুলোয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিরাই বাস করেন। পাঁচ তারকা হোটেল বলে কথা! অল্পবিস্তর টাকা-পয়সার মালিকরা সেখানে থাকার কথা কেবল কল্পনা করেন। বিশাল খরচের কথা ভেবে কখনো থাকা হয়ে ওঠে না। আর দরিদ্ররা তো সেখানে থাকার বিষয়টি কল্পনাতেও স্থান দিতে সাহস পায় না। তবে ব্যতিক্রমী খবর হলো, ভিক্ষুকরাও থাকে পাঁচ তারকা হোটেলে। বিলাসবহুল হোটেলে থাকা-খাওয়ার খরচ মেটায় ভিক্ষা করেই। এর পরও থাকে উদ্বৃত্ত!
হ্যাঁ, ভিক্ষাবৃত্তির অপরাধে দুবাইয়ের পুলিশ এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, ওই ভিক্ষুক স্থানীয় একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাস করে। সেখানে থেকেই সে ভিক্ষাবৃত্তি চালিয়ে আসছিল। দুবাই পুলিশের পর্যটক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রশিদ আল মুহাইরি এ কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, এর আগে ওই ব্যক্তিকে তার দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু উচ্চ আয় দেখে আবার পর্যটক ভিসায় দুবাইয়ে আসে। মুহাইরি ভিক্ষুকের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি। শুধু জানিয়েছেন, ভিক্ষুকটি এশীয়।
দুবাইয়ের স্থানীয় পত্রিকা খালিজ টাইমস গতকাল বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। পুলিশের পরিচালক আল মুহাইরির বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, ভিক্ষা করার অপরাধে এ বছর রমজান ও ঈদে দুবাইয়ে ৩৬০ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটক ভিক্ষুকদের অধিকাংশই এশীয়। এ ছাড়া কিছু আরবও রয়েছে।
দুবাই পুলিশ জানিয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তি ঠেকাতে তারা গত মাস থেকে অভিযান জোরদার করেছে। ভিক্ষুকদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Ref: Daily Kaler Kantho/ 17 September 2010

IPO of Insurance Companies Complicated

The Daily Amadershomoy - September 17, 2010

3G by TeleTalk Soon

The Daily Amadershomoy - September 17, 2010

Tourism Board Formed

The Daily Amadershomoy - September 17, 2010

:: জিসিআই রিপোর্ট : বাংলাদেশের অবস্থান ১০৭ নম্বরে ::

সমকাল :: জিসিআই রিপোর্ট : বাংলাদেশের অবস্থান ১০৭ নম্বরে ::

প্রতারক ডিও ব্যবসায়ী ৪০ কোটি টাকা ভারতে পাচার করেছে ::

সমকাল :: প্রতারক ডিও ব্যবসায়ী ৪০ কোটি টাকা ভারতে পাচার করেছে ::

Wednesday, September 1, 2010

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলে কন্টেইনার বহনে দুর্নীতি

সাইফ ইসলাম দিলাল
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে ঢাকায় কনটেইনার পরিবহনে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ব্যবসায়ীরা ভয়াবহ সঙ্কটে পড়েছেন। বিদেশ থেকে আনা কনটেইনার ঘুষ ছাড়া রেলপথে ঢাকায় আনতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে যারা ঘুষ দেন না তাদের কনটেইনার এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত বন্দরে পড়ে থাকে। জানা যায়, বন্দর ও রেলওয়ের একশ্রেণীর কর্মকর্তা প্রতি কনটেইনারে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ধারাবাহিকতা ভেঙে রেলপথে কনটেইনার পাঠাচ্ছে।
জানা গেছে, বন্দরে একশ্রেণীর দালাল আছে যারা সিরিয়াল ভেঙে রেলপথে কনটেইনার আনার ব্যবস্থা করে থাকে। তারা পণ্যের গুরুত্ব বুঝে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করে থাকে। ঘুষের এ অর্থ তিন-চারজনের মধ্যে ভাগ হয়। দালাল, বন্দর এবং রেলওয়ের কর্মকর্তারা এ অর্থের ভাগ পেয়ে থাকেন। এ পদ্ধতি ছাড়াও সরাসরি কনটেইনার পরিবহনে অনিয়ম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় কিংবা বন্দর কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকারের কথা বলে দ্রুত কনটেইনার পরিবহনের ব্যবস্থা করে থাকে। ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিরিয়াল ভেঙে দ্রুত পরিবহনের ব্যবস্থা নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, জরুরি ভিত্তির কথা বলা হলেও এখানেও সেই ঘুুষ বাণিজ্য মূল চালিকাশক্তি।
এ ব্যাপারে বিজিএমইএ’র প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কনটেইনার পরিবহনে রেলওয়ের এ সমস্যার কারণে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছেন। জরুরি ভিত্তিতে এ সঙ্কটের সমাধান না হলে সামনে আরও বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে।
সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড থেকে যেখানে কনটেইনার আসতে সময় লাগে মাত্র ৫ থেকে ১৫ দিন, সেখানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে ঢাকার কমলাপুর অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপোতে (আইসিডি) আসতে এক থেকে দেড় মাসের বেশি সময় লাগছে। তাই ঢাকা ও আশপাশের এলাকার ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচ দিয়ে রেলপথের পরিবর্তে সড়কপথে পণ্য পরিবহনে বাধ্য হচ্ছেন।
এর ফলে আমদানিকৃত ও রফতানিমুখী পণ্য পরিবহনে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। রফতানিমুখী পণ্য পরিবহনে রেলপথের চেয়ে সড়কপথে ব্যয় ৩০০ শতাংশ বেশি। আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে সড়কপথের চেয়ে রেলপথে ব্যয় ২০০ শতাংশ বেশি।
প্রসঙ্গত, আমদানি-রফতানি পণ্যভর্তি কনটেইনারের মাত্র ৩০ শতাংশ চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকার। বাকি ৭০ শতাংশ কনটেইনার ঢাকামুখী। এসব পণ্যের সিংহভাগই সড়কপথে পরিবহন করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার পরিবহন বাড়লেও দুর্নীতি ও নানা জটিলতার কারণে রেলপথে ঢাকার আইসিডিমুখী কনটেইনার পরিবহন কমছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে বন্দরে কনটেইনার পরিবহন বেড়েছে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অথচ একই সময়ে কমলাপুর আইসিডিতে পণ্য পরিবহন কমেছে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ সময়ে কনটেইনার পরিবহন হয় ৬৫ হাজার ৮৬৭ ইউনিট।
প্রসঙ্গত, ঢাকা-চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ১৫ টন ওজনের একটি কনটেইনার পণ্য পরিবহনে সড়কপথে খরচ পড়ে ন্যূনতম ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে রেলওয়ের ভাড়ার হার অনুযায়ী আমদানিকৃত পণ্যবাহী ১৫ টন ওজনের ২০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডিতে পরিবহনে লাগে ছয় হাজার টাকা। রফতানিমুখী পণ্যবাহী কনটেইনারে এ খরচ তিন হাজার টাকা।
রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, বন্দরে কনটেইনার পরিবহন যে হারে বাড়ছে, রেলওয়েতে ঢাকার আইসিডিমুখী কনটেইনার পরিবহনে সেই হার ধরে রাখা যায়নি। এজন্য বন্দর ও আইসিডি অংশে কনটেইনার ওঠানামার যন্ত্রপাতির স্বল্পতা, রেলওয়ে ইঞ্জিন ও চালক সঙ্কট মূল কারণ ।
কমলাপুর আইসিডি পরিচালনা করছে বেসরকারি সংস্থা গ্যাটকো। এ সংস্থার যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতার কারণে পণ্য ওঠা-নামায় সময় বেশি লাগছে।
প্রসঙ্গত, ৩০ ওয়াগনের একটি ট্রেনে ৬০ ইউনিট কনটেইনার বোঝাই, পরিবহন ও খালাস করতে সময় লাগছে ৫৫ থেকে ৫৯ ঘণ্টা। অথচ এক বছর আগেও এই সময় লাগত ৩৬ থেকে ৩৭ ঘণ্টা। ধারাবাহিকভাবে পণ্য পরিবহন করতে না পারায় এভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে ঢাকার আইসিডিমুখী কনটেইনারের জট তৈরি হচ্ছে।
বছরে ৮০ হাজার ইউনিট কনটেইনার ওঠানামার ক্ষমতাসম্পন্ন এ সরকারি আইসিডি চালু হয় ১৯৮৭ সালে। বন্দর থেকে রেলপথে ৩২০ কিলোমিটার দূরত্বের এই আইসিডিতে নিয়ে আমদানি পণ্য খালাস এবং রফতানি পণ্য বোঝাইয়ের সুবিধার জন্য এটি চালু করা হয়েছিল। চালু করার পর গত জুন পর্যন্ত আইসিডিতে নয় লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৯ ইউনিট কনটেইনার পরিবহন হয়।

Amardesh: 01 Sep 2010

ইস্টার্ন হাউজিংয়ের লেনদেন শুরু

সমকাল :: ইস্টার্ন হাউজিংয়ের লেনদেন শুরু ::